বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬ ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
Channel18

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রে নয়া উদ্বেগ, রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়তে পারে ৬৫ লাখ পরিবারের শিশুরা

যুক্তরাষ্ট্রে নয়া উদ্বেগ, রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়তে পারে ৬৫ লাখ পরিবারের শিশুরা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত নীতির কারণে দেশটিতে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে এই নীতি কার্যকর হলে বহু অভিবাসী পরিবারের সন্তানরা ‘রাষ্ট্রহীন’ হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অভিভাবকরা। খবর সিএনএনের।

দীর্ঘ ২৬ বছর আগে কলম্বিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা ‘পিলার’ (ছদ্মনাম) বর্তমানে একজন প্যারালিগ্যাল হিসেবে কাজ করছেন এবং ফ্লোরিডায় নিজের বাড়িও কিনেছেন। তবে নতুন আইনি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তাকে ‘অস্থায়ীভাবে বসবাসকারী’ ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে। এর ফলে ভবিষ্যতে তার সন্তানেরা যুক্তরাষ্ট্রে জন্মালেও নাগরিকত্ব পাবে না-এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে মার্কিন সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা, যেখানে বলা হয়েছে-‘যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী এবং এর অধিক্ষেত্রের আওতাভুক্ত সকল ব্যক্তি মার্কিন নাগরিক’। ট্রাম্প প্রশাসনের আইনজীবীরা যুক্তি দিচ্ছেন, ‘অধিক্ষেত্রের আওতাভুক্ত’ হওয়ার অর্থ হলো রাষ্ট্রের প্রতি সরাসরি আনুগত্য থাকা, যা অবৈধ বা অস্থায়ীভাবে অবস্থানকারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

অন্যদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এই ব্যাখ্যা সংবিধানের মূল চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। মানবাধিকার সংগঠন আমেরিকান সিভিল সোসাইটিস ইউনিয়ন-এর আইনজীবীরা দাবি করেছেন, ‘ডোমিসাইল’ বা স্থায়ীভাবে বসবাসের অভিপ্রায়-এ ধরনের ধারণা সংবিধানের কোথাও উল্লেখ নেই, বরং এটি একটি অস্পষ্ট ও ব্যক্তিনির্ভর মানদণ্ড।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নীতি কার্যকর হলে প্রায় ৬৫ লাখ বৈধভাবে বসবাসরত অভিবাসীর সন্তানের নাগরিকত্ব ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। অনেকেই বছরের পর বছর ধরে আশ্রয় আবেদন বা মানবিক কর্মসূচির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন।

এদিকে ইউক্রেন থেকে আগত ‘লিলি’ (ছদ্মনাম) নামের এক নারী জানান, নিজ দেশে ফিরে যাওয়া তার জন্য ‘মৃত্যুদণ্ডের সমান’। রাশিয়ার সঙ্গে চলমান সংঘাতের কারণে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নিয়েছেন এবং সেখানেই সন্তান জন্ম দিয়েছেন। তার মতে, এই নীতি শুধু আইনি প্রশ্ন নয়, বরং ‘নিরাপত্তা, পরিচয় এবং ভবিষ্যতের অধিকার’-এর সঙ্গে জড়িত।

মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে এ বিষয়ে শুনানি চলমান রয়েছে এবং আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে লাখো অভিবাসী পরিবারের ভবিষ্যৎ। যদি ট্রাম্পের প্রস্তাব অনুমোদন পায়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে এক বড় পরিবর্তন আসতে পারে, যার প্রভাব পড়বে বহু প্রজন্মের ওপর।

আরও

ইরান যুদ্ধ শেষে ন্যাটোর সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করবে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক

বললেন মার্কো রুবিও ইরান যুদ্ধ শেষে ন্যাটোর সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করবে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সঙ্গে যখন যুদ্ধ শেষ হবে তখন ন্যাটোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র তার সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট...

২০২৬-০৪-০১ ১০:০৩

ইরান নিয়ে জাতির উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেবেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক

ইরান নিয়ে জাতির উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেবেন ট্রাম্প

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ নিয়ে জাতির উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থ...

২০২৬-০৪-০১ ০৯:৫২

ইরানকে যখন প্রস্তর যুগে পাঠানো হবে যুদ্ধ এমনিতেই শেষ হবে

আন্তর্জাতিক

চুক্তি করতে হবে না, বললেন ট্রাম্প ইরানকে যখন প্রস্তর যুগে পাঠানো হবে যুদ্ধ এমনিতেই শেষ হবে

যুদ্ধ শেষ করতে ইরানকে কোনো ধরনের চুক্তিতে রাজি হতে হবে না বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।...

২০২৬-০৪-০১ ০৯:১০

যুদ্ধবিরতি নয়, যুদ্ধের পূর্ণ সমাপ্তি চায় ইরান: আরাগচি

আন্তর্জাতিক

যুদ্ধবিরতি নয়, যুদ্ধের পূর্ণ সমাপ্তি চায় ইরান: আরাগচি

যুদ্ধবিরতি নয়, বরং যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ সমাপ্তিই চায় ইরান— এমন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।...

২০২৬-০৪-০১ ০৯:০৭

কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পর বিশাল আগুন

আন্তর্জাতিক

কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পর বিশাল আগুন

কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে বিমানবন্দরটির জ্বালানি ট্যাংকার রাখা অংশে বিশাল...

২০২৬-০৪-০১ ০৯:০৫

যাও, সাহস দেখিয়ে নিজেরাই তেল নিয়ে আসো: মিত্র দেশগুলোকে কটাক্ষ ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক

যাও, সাহস দেখিয়ে নিজেরাই তেল নিয়ে আসো: মিত্র দেশগুলোকে কটাক্ষ ট্রাম্পের

হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি সংকট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর প্রতি কঠোর বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট...

২০২৬-০৩-৩১ ২১:১৬