ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম BBC-এর প্রতিবেদনে জানা যায়, প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-এর সঙ্গে বৈঠক করেন শাহবাজ শরিফ। এরপর তিনি ইরানের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গেও আলাদা বৈঠকে বসেন। তবে এসব বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে সহায়তা করেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর জামাতা জ্যারেড কুশনার। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর আশা প্রকাশ করেছে, এসব আলোচনা অঞ্চলে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এর আগে ইরানের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন শাহবাজ শরিফ। পাকিস্তান সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, মধ্যাহ্নভোজের সময় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
সূত্র জানায়, আলোচনায় অগ্রগতি আনতে পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে পৃথক বৈঠক চালিয়ে যাচ্ছে। তবে দুই পক্ষ সরাসরি মুখোমুখি বৈঠকে বসবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
এদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা Reuters জানিয়েছে, কাতারসহ বিভিন্ন দেশের ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ছাড়তে যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হয়েছে। ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপ ইসলামাবাদে চলমান আলোচনায় ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
উক্ত সূত্র আরও জানায়, সম্পদ অবমুক্ত করার বিষয়টি হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচলের সঙ্গে সম্পর্কিত। যদিও যুক্তরাষ্ট্র কত অর্থ ছাড়তে সম্মত হয়েছে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে ইরানের আরেকটি সূত্রের দাবি, প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলারের তহবিল মুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।