পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নির্ধারিত শান্তি আলোচনার আগে শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। ট্রাম্প বলেন, একটি কার্যকর চুক্তির প্রায় পুরো অংশই নির্ভর করছে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র থেকে বিরত রাখার ওপর।
তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে নৌ চলাচল স্বাভাবিক করতে উদ্যোগ নেবে এবং এ ক্ষেত্রে অন্যান্য দেশও সহায়তায় প্রস্তুত রয়েছে।
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, এই প্রক্রিয়া সহজ হবে না। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে ইরানের সম্ভাব্য নিয়ন্ত্রণ বা শুল্ক আরোপের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র মেনে নেবে না।
ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি জাহাজ চলাচলের ওপর শুল্ক আরোপের চেষ্টা করে, তবে তা প্রতিহত করা হবে। তার মতে, ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে সরে এলে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ স্বয়ংক্রিয়ভাবে উন্মুক্ত হয়ে যাবে।
এদিকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল এখনো স্বাভাবিক হয়নি। বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস সরবরাহের একটি বড় অংশ এই পথের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রভাব ফেলছে।
সর্বশেষ তথ্যমতে, প্রণালীতে শত শত জাহাজ আটকে রয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি করছে।
অন্যদিকে, ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিতব্য আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পক্ষে পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ নেতৃত্ব দেবেন। আলোচনায় যুদ্ধের স্থায়ী সমাধান ও পারমাণবিক ইস্যু প্রধান গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।