পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র স্থল হামলা পরিকল্পনা করে, যেখানে সীমান্তবর্তী ইরাকে অবস্থানরত কুর্দি যোদ্ধাদের ব্যবহার করা হবে। তবে পেশমারগা বাহিনী স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা ইরানে আক্রমণ করবে না। এই সিদ্ধান্তের ফলে ওয়াশিংটনের আশা পূরণ হয়নি।
ইরাকি কুর্দি কমান্ডার সিরওয়ান বারজানি বলেছেন, তার বাহিনী ইরান আক্রমণের কোনো পরিকল্পনা রাখে না। তবে ইরানের অব্যাহত হামলায় তারা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। সিরওয়ান জানিয়েছেন, গত হামলার পর থেকে কুর্দিস্তান অঞ্চলে প্রায় ৪৩০টি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পেশমারগা বাহিনীর ৬ সদস্য নিহত এবং ৩০ জন আহত হন।
সিরওয়ান আরও বলেন, ‘প্রতিদিন আমাদের ঘাঁটিতে হামলা হচ্ছে। আমাদের কিছুই করার নেই; আমরা প্রতিবেশী দেশ। আমাদের বাণিজ্যিক ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।’
এ ঘটনার পর ইরাকি কুর্দিস্তানের প্রেসিডেন্ট নেচিরভান বারজানি এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট মাসুদ বারজানির পরিবারের সদস্যরা এটিকে 'সন্ত্রাসবাদী হামলা' হিসেবে অভিহিত করেছেন।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই।