সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার ভান্ডারবাড়ি গ্রামের যমুনা নদীতে মাছ ধরতে যান স্থানীয় কয়েকজন জেলে। প্রতিদিনের মতো জাল ফেলতে গিয়ে তারা নদীর ভাসমান আবর্জনার সঙ্গে আটকে থাকা একটি মরদেহ দেখতে পান। কাছে গিয়ে নিশ্চিত হন, সেটি একজন নারীর মরদেহ।
খবর পেয়ে নদীপাড়ে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মরদেহটি অনেক দূর থেকে স্রোতের টানে ভেসে এসে আবর্জনার স্তূপে আটকে থাকতে পারে। তবে নারীর পরিচয় বা মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কেউ কোনো তথ্য দিতে পারেননি।
স্থানীয়দের ভাষ্য, যমুনা নদীতে মাঝেমধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে ভেসে আসা অজ্ঞাত মরদেহ পাওয়া গেলেও একজন নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। অনেকেই ধারণা করছেন, এটি কোনো দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা কিংবা অন্য কোনো অপরাধের ঘটনার সঙ্গে জড়িত হতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসব বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।
ধুনট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রাজ্জাক জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং মরদেহ উদ্ধারের কার্যক্রম শুরু করে। মরদেহের পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে প্রয়োজনীয় তদন্ত চলছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।
যমুনার উত্তাল স্রোতে ভেসে আসা এই অজ্ঞাত নারীর মরদেহ এখন শুধু একটি উদ্ধার হওয়া লাশ নয়; এটি হয়ে উঠেছে এক অমীমাংসিত রহস্য। পরিচয়হীন সেই নারীর জীবনের শেষ অধ্যায়ের উত্তর খুঁজতেই এখন তদন্তে নেমেছে পুলিশ।