নিহত আবুল কালাম ওই একই বাড়ির বাসিন্দা মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর ছিলেন। এবং আহত মোশাররফ বিদেশ ফেরত,সম্প্রতি তিনি ছুটি কাটাতে দেশে এসেছিলেন।
হাসপাতাল পুলিশ ও স্বজনরা জানান, বৃষ্টির মধ্যে আবুল কালাম ও মোশাররফ দুইভাই মিলে বাড়ির সামনের নিজস্ব বাগান থেকে সুপারি গাছ কাটছিলেন,এসময় হটাৎ গাছটির পাশে ছিড়ে থাকা বৈদ্যুতিক কেবলের সাথে লেগে যায় এবং মুহুর্তেই তারা দুইভাই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পড়েন। বিষয়টি আশেপাশের লোকজন দেখতে পেয়ে দ্রুত তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে চিকিৎসার জন্য বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন৷ দুপুর পৌনে ১টার দিকে সেখানে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুমূর্ষু দুজনের মধ্যে আবুল কালামকে মৃত ঘোষণা করেন।
ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক লামিয়া বিনতে হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেন বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ২ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনা হয়েছিল,তাদের মধ্যে একজনকে আমরা মৃত পেয়েছি। আর একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।