মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলাশবাড়ী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খান।
এর আগে সোমবার (২৯ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের জুনদহ এলাকায় সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্বের একটি মীমাংসিত ঘটনার জের ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আব্দুস সামাদ মন্ডলের দুই ভাগ্নে কাকন ও নিয়ন বরিশাল ইউনিয়নের ছাত্রশিবিরের দুই কর্মী গাইবান্ধা সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের ছাত্র আল-আমিনকে মারধর করেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে একত্রিত হন। এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয় এবং তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
ওই সংঘর্ষে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ মন্ডল, পলাশবাড়ী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শামীম রেজা, বরিশাল শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি মিল্লাত সরকার মিলন, ১ নং ওয়ার্ড বিএনপি'র সভাপতি শাহীন, সাধারণ সম্পাদক তাবিজ, হাসান মনা, জবা ডাবলু ও জাকিরসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
এর মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আব্দুল সামাদ মন্ডলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য আহতদের পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সংঘর্ষের পর জুনদহ বাজারে উভয় পক্ষের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর থেকে জুনদহ এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা তৎপরতা চালাচ্ছেন।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খান জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।