মঙ্গলবার ( ৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শাহে আলম ব্যক্তিগত কাজে ওই এলাকার ইউপি সদস্যের বাড়িতে যান। একই সময়ে তাসলিমা বেগম (৫০) নামে এক নারীও সেখানে যান।
এ সময় সজিবের নেতৃত্বে শরীফ জমাদার, ভূট্টো, সুমন ভূলাই, মহিউদ্দিন মাঝি, সবুজ ভূলাই, রুবেল, সিদ্দিক ও জুয়েলসহ ৮-১০ জন অসামাজিক কার্যকলাপের মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাদের কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। দাবিকৃত টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাদের এলাপাতাড়ি মারধর করা হয়। জোরপূর্বক গলায় জুতার মালা পরিয়ে জনসম্মুখে তাদের হেনস্তা করা হয়। পরে তা ভিডিও ধারন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শাহে আলম বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে তজুমদ্দিন থানায় মামলা দায়ের করেন। এ সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে সজিব (২৮), রাকিব ভূট্টো, রায়হান (১৯) ও রাসেলকে (২১) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, সজিব মেঘনার কুখ্যাত জলদস্যু ‘দুলাল বাহিনীর’ সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন।
তার বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ ছয়টি মামলা রয়েছে। এর আগেও তিনি বহু মানুষকে চাঁদার দাবিতে মারধর করেছেন। ২০২৫ সালে আবাসনের এক নারীকে কু-প্রস্তাব দিয়ে প্রত্যাখ্যানের শিকার হয়ে তাকেও মধ্যযুগীয় কায়দায় মারধর করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চারজনকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।