রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে উপজেলার ঘোড়াকান্দা বালুর মাঠে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ১৬ জনকে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বাকিরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রোববার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে মসজিদপাড়া এলাকার কিছু যুবক বালুর মাঠে ক্রিকেট খেলছিলেন। এ সময় একই এলাকার পলাশের মোড়ের যুবকরা সেখানে ফুটবল খেলতে চাইলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে পলাশের মোড়ের কয়েকজন মিলে মসজিদপাড়ার এক যুবককে মারধর করে। এর জেরে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে প্রথম দফায় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন।
পরবর্তীতে ওই ঘটনার জেরে রাত সোয়া ৮টার দিকে আবারও সংঘর্ষ বাধে। এ সময় উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল নিয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চালায়। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি দোকানপাট ও বাড়িঘরে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
খবর পেয়ে ভৈরব থানার পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ভৈরব-কুলিয়ারচর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোহাম্মদ ফয়জুল ইসলাম বলেন, খেলা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রথমে বিকেলে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে রাতে একই ঘটনার জেরে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।