বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিউর রহমান এ রায় দেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়িতে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা: সালাউদ্দিন, মো. শরিফুল ইসলাম ওরফে কোরবান মিয়া এবং খন্দকার ওমর ফারুক।
১০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা: মো. রমজান ও সাদ্দাম।
রায়ের অংশ হিসেবে আসামিদের স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে অর্থদণ্ড আদায় করে ভিকটিমের পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিচারাধীন অবস্থায় আসামি শরিফুল ইসলাম ও খন্দকার ওমর ফারুক কারাগারে থাকলেও সালাউদ্দিন, রমজান ও সাদ্দাম পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা শিশুটিকে নির্জন স্থানে নিয়ে লিঙ্গ কর্তনসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র ও ইট দিয়ে গুরুতর জখম করেছিল। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মামলার তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১৫ মে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় এবং ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে। মামলার সময় মোট ২০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।