গত ১০ মার্চ যাত্রাবাড়ী থানায় শিক্ষার্থী মো. আরিফ হত্যার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক মো. মাহমুদুল হাসান খায়রুলকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আর আদাবর থানায় গার্মেন্টসকর্মী রুবেল হত্যা মামলায় পুলিশ উপপরিদর্শক মোহাম্মদ টিপু সুলতান গত ২৯ এপ্রিল খায়রুলকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
আজ আদালতে আসামি খায়রুল হককে হাজির করলে বিচারক গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।
নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী এলাকার বউবাজার রোডে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের সময় লর্ড হার্ডিঞ্জ সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের ছাত্র মো. আরিফের চোখে গুলি লাগে। তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ২৬ আগস্ট তার বাবা মামলাটি দায়ের করেন।
রুবেল হত্যা মামলায় জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আদাবর থানার রিংরোড এলাকায় প্রতিবাদী মিছিলের সময় পুলিশ ও বিভিন্ন দলীয় নেতাকর্মীরা গুলি চালায়, এতে রুবেল গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। ২২ আগস্ট তার বাবা মামলাটি দায়ের করেন।
ওই বছরের ২৪ জুলাই খায়রুল হককে ধানমণ্ডির বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাকে বেশ কয়েকটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিন পান, তবে মামলাগুলো স্টে শুনানির জন্য বর্তমানে অপেক্ষমাণ আছে।