মঙ্গলবার (১২ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
তার বিরুদ্ধে এ মামলাসহ আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে গত ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় একটি মামলা হয়। ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় আরেকটি মামলা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী ভূঁইয়া।
একই অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায়ও আরও একটি মামলা হয়। এছাড়া প্লট জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনও তার বিরুদ্ধে মামলা করে।
এসব মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন। পরে হাইকোর্ট কয়েকটি মামলায় জামিন প্রশ্নে রুল জারি করে।
গত ৮ মার্চ হাইকোর্ট চার মামলায় জামিন দেন এবং পরবর্তীতে ১১ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায়ও তিনি জামিন পান।
তবে রাষ্ট্রপক্ষ ওই জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে। পরে ২৮ এপ্রিল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।
এরই মধ্যে তার বিরুদ্ধে আরও দুইটি নতুন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়—একটি যাত্রাবাড়ী থানায় এবং অন্যটি মিরপুর থানায়। ওই দুই মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে তিনি এখন হাইকোর্টে জামিন চেয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এ বি এম খায়রুল হক। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান। পরে তিনি তিন দফায় আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।