বিশ্লেষকদের দৃষ্টি কেড়েছে আরও একটি বিষয়—শেষ তিনটি বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন আগেভাগেই সঠিকভাবে অনুমান করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। ফলে তাদের নতুন পূর্বাভাস ঘিরে ফুটবল অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করবে ২০২৬ বিশ্বকাপ। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নেবে এই আসরে।
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আজতেকা স্টেডিয়াম-এ এবং ফাইনাল হবে মেটলাইফ স্টেডিয়াম-এ।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বিশ্বকাপ শুধু ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়; বরং বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তি, কূটনীতি ও সংস্কৃতিরও বড় এক মিলনমেলা হয়ে উঠতে যাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্মার্ট স্টেডিয়াম ও ডাটা অ্যানালিটিক্সের ব্যবহার এবারের আসরকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলবে।
এছাড়া বহুসাংস্কৃতিক উত্তর আমেরিকায় আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে অভিবাসন, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও বৈচিত্র্যের বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
এবারের বিশ্বকাপের আরেকটি বিশেষ দিক হলো—প্রথমবারের মতো একটি নয়, তিনটি অফিসিয়াল মাসকট রাখা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি ‘ক্লাচ’, কানাডার ‘মেপল’ এবং মেক্সিকোর ‘জায়ু’ যৌথভাবে এবারের আসরের প্রতীক হিসেবে থাকছে।