সোমবার এক বিবৃতিতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে এ সফরের তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
সফরকালে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন। বৈঠকে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা গুরুত্বপূর্ণ দিক, বাণিজ্য, বিশ্ব শান্তি ও বৈশ্বিক উন্নয়ন ইস্যুতে দুই নেতার মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে জানান, মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের দুই রাষ্ট্রপ্রধানের পরস্পরের দেশে সফর করা একটি ‘ঐতিহাসিক ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা’। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মুখপাত্র গুও জিয়াকুন আরও বলেন, বেইজিং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক আলোচনা ও সহযোগিতা বাড়াতে এবং বিদ্যমান মতপার্থক্যগুলো সঠিকভাবে নিরসন করতে আগ্রহী।
দুই দেশের মধ্যে কিছু বিষয়ে দ্বিমত থাকলেও তা দক্ষতার সঙ্গে মোকাবেলা করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ইতিবাচক ধারায় ফেরাতে চায় বেইজিং। এর মাধ্যমে উভয় দেশের জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং বিশ্বে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে চীন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি উল্লেখ করেন।