ঝুঁকি এড়াতে সৌদি কর্তৃপক্ষ কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো ভ্রমণকারী যদি সৌদি আরবে পৌঁছানোর আগের ২১ দিনের মধ্যে ওই তিনটি দেশের যেকোনো একটিতে অবস্থান করে থাকেন, তবে তাদের জন্যও সব ধরনের প্রবেশ ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।
একই সাথে আফ্রিকার আরও চারটি দেশ— রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, তানজানিয়া এবং কঙ্গো (কঙ্গো-ব্রাজাভিল) থেকে আসা যাত্রীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এসব দেশ থেকে আসা ভ্রমণকারীদের সৌদি সীমান্তে কঠোর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও বিশেষ রোগ পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ উইকায়া আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, ২০১৯ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত সৌদি আরবের অভ্যন্তরে কোনো ইবোলা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়নি। মূলত দেশের জননিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বজায় রাখতেই এই আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৬ সালে প্রথম ডি আর কঙ্গোতে এই ইবোলা ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছিল। অত্যন্ত সংক্রামক এই রোগে আক্রান্তদের মৃত্যুর হার প্রায় ৫০ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে এই ভাইরাসের থাবায় প্রায় ১৫ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।