প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাইক্রোবাসটি ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার পর মহাসড়কে ওঠার কিছুক্ষণের মধ্যেই হঠাৎ আগুনের স্ফুলিঙ্গ দেখা যায়। এরপর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো গাড়িতে। আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, মুহূর্তেই মাইক্রোবাসটি আগুনের লেলিহান শিখায় ঢেকে যায়।
গাড়ির চালক পরিস্থিতির ভয়াবহতা আঁচ করতে পেরে দ্রুত গাড়ি থামিয়ে নেমে পড়েন। তার এই দ্রুত সিদ্ধান্তের কারণেই বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে এগিয়ে এসে জ্বলন্ত গাড়িটিকে সড়কের এক পাশে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন, যাতে অন্য যানবাহন ঝুঁকিতে না পড়ে। পরে খবর পেয়ে কাহালু ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
কাহালু ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক সবুজ হোসেন জানান, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই আগুনের সূত্রপাত। ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার সময় বা পরপরই কোনো প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে আগুন লাগে।”
তিনি আরও বলেন, “আগুনে মাইক্রোবাসটি সম্পূর্ণ পুড়ে গেলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় বা পরপরই গাড়ির ইঞ্জিন, বৈদ্যুতিক সংযোগ কিংবা ফুয়েল লাইনে সামান্য ত্রুটি থেকেও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে নিয়মিত যানবাহনের যান্ত্রিক পরীক্ষা ও সতর্কতা জরুরি বলে মনে করছেন তারা।