বুধবার (৮ জুলাই) সকাল থেকে জেলায় থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় বন্যা ও পাহাড়ধসের শঙ্কাও বেড়েছে।
জানা গেছে, খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা-লংগদু সড়কের মেরং স্টিল ব্রিজ এলাকায় সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় লংগদুর সঙ্গে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। একইভাবে বাঘাইহাট এলাকার নিচু অংশে সাজেক সড়ক পানিতে ডুবে যাওয়ায় সারা দেশের সঙ্গে সাজেকের সড়ক যোগাযোগও বন্ধ হয়ে গেছে।
পাহাড়ি ঢলে মহালছড়ি উপজেলার দুটি নিচু স্থানে সড়ক প্লাবিত হয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং চাকরিজীবীদের হাঁটুসমান পানি ভেঙে চলাচল করতে হচ্ছে।
টানা বর্ষণে চেঙ্গি, মাইনি ও ফেনী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। চেঙ্গি নদীর পানি পাড়ের কাছাকাছি থাকায় খাগড়াছড়ি শহরের নিচু এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে লোকালয়ে পানি প্রবেশের আশঙ্কা রয়েছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সম্ভাব্য বন্যা ও পাহাড়ধস মোকাবিলায় জেলার বিভিন্ন স্থানে ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ৮৩টি পরিবারকে পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে চিহ্নিত করা হয়েছে। জেলার অন্যান্য উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের তালিকা প্রণয়নের কাজও চলমান।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিল পারভেজ বলেন, দীঘিনালা-লংগদু সড়কের মেরং স্টিল ব্রিজ এলাকা এবং দীঘিনালা-বাঘাইছড়ি সড়কের কবাখালী এলাকায় সড়কের ওপর পানি উঠে গেছে। এ ছাড়া বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক সড়কের কয়েকটি নিচু অংশ পানিতে তলিয়ে থাকায় আপাতত সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।