আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড সাব কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষার বিষয়ে আলোচনা করতে সভা ডাকা হয়েছে। ডিসিদের কাছ থেকে বর্তমান পরিস্থিতির তথ্য নিয়ে তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে জানানো হবে। এরপর মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী স্থগিত পরীক্ষার নতুন সূচি ঘোষণা করা হবে।
স্থগিত পরীক্ষা কবে হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। পরীক্ষা দ্রুত সময়ের মধ্যে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। তবে এটি মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। আশা করছি, আগামীকাল রাতের মধ্যে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে।
বৈরী আবহাওয়া ও বন্যার কারণে গত ৮ জুলাই থেকে ১৬ পর্যন্ত চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ছিল। এ বিভাগের ৫ জেলায় আলিম এবং এইচএসসি ভোকেশনাল, বিএমটি, ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষাও স্থগিত থাকে। পরবর্তীতে ফের পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেয় বোর্ড।
এ বিষয়ে বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সাম্প্রতিক বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর সার্বিক অবস্থা, পরীক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক অবস্থা, অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাটের কারণে পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের আসা-যাওয়া অসুবিধার বিষয়টিসহ সার্বিক বিবেচনায় চট্টগ্রাম বোর্ড ও এ বিভাগের ৫ জেলার মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অবশিষ্ট বিষয়ের পরীক্ষা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।’
বিজ্ঞপ্তিতে বোর্ড জানায়, ‘পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি পরবর্তীতে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। অন্যান্য শিক্ষা বোর্ড এবং চট্টগ্রাম বিভাগ ছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অন্যান্য জেলার পরীক্ষা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।’
চলতি বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষা অভিন্ন প্রশ্নপত্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যে কোনো দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে প্রতিটি বিষয়ে তিন সেট করে প্রশ্ন করা হয়েছে।
এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়। এগারোটি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১২ লাখ ৭০ হাজার নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য ফরম পূরণ করেছেন।