বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, প্রশাসনে দলীয়করণ গণতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। জেলা ও নগর প্রশাসক হিসেবে দলীয় লোক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, যারা আবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারে—এতে সমতল মাঠ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) নষ্ট হচ্ছে।
বিএনপিকে নিয়েও সমালোচনা করে আসিফ মাহমুদ বলেন, দলটি ক্ষমতার রাজনীতিতে বেশি মনোযোগী। গুম সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদন বাতিলের চেষ্টার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এতে বোঝা যায় দলটি এসব ইস্যুতে আন্তরিক নয়।
সাবেক এই উপদেষ্টা দাবি করেন, অতীতে ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় ‘ডিপ স্টেট’ থেকে তাদের ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, তবে তারা সে প্রস্তাবে সায় দেননি। তিনি বলেন, “আমরা গণতন্ত্রের স্বার্থে নির্বাচন দিয়েছি এবং সেটি প্রশ্নবিদ্ধ না করতে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছি।”
তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার পূর্ববর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মন্ত্রী পর্যায়ের পদে নিয়োগ দিয়ে নির্বাচনের সমতল ক্ষেত্র নষ্ট করেছে।
আসিফ মাহমুদ বলেন, “বাংলাদেশের ইতিহাসে যারা গণরায়ের বিরুদ্ধে গেছে, তারা টিকতে পারেনি। এবারও জনগণের রায় উপেক্ষা করা হলে জনগণই তার জবাব দেবে।”
তিনি আরও বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর সংঘটিত সব গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং নতুন প্রজন্মের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে।