শুক্রবার দুপুর ১২টায় যশোরে দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের কষ্ট লাঘবে সরকার কাজ করছে। বহির্বিশ্বের অস্থিরতার মধ্যেও জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা করা হয়নি। যদি তেলের দাম বাড়তো, বিদ্যুৎ, গণপরিবহন ও খাদ্যপণ্যের দামও বাড়ত। জনগণের দুর্ভোগ যাতে না বেড়ে যায়, সেটি নিশ্চিত করতে প্রতিদিন ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে।”
অনিন্দ্য ইসলাম আরও বলেন, “দেশে প্রতিদিন ডিজেলের চাহিদা ছিল ১২ হাজার টন, পেট্রল–অকটেনের চাহিদা ১ হাজার ২০০–১ হাজার ৪০০ টন। ঈদের আগে প্রতিদিন ২৪–২৫ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে। সরকার এপ্রিল পর্যন্ত জনগণের জ্বালানির চাহিদা নিশ্চিত করতে সক্ষম। ৯০ দিনের জ্বালানি মজুত নিশ্চিত করার কাজও চলছে।”
অনুষ্ঠানে ১৫৩ জন দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিকে এককালীন আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়। প্রতিমন্ত্রী জানান, রাষ্ট্রের সব নাগরিকের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব, এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কল্যাণে সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর ভাতা কর্মসূচি চালু করা হয়েছিল।