আল আরাবিয়া ইংলিশকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক আহমেদ শরীফ চৌধুরী বলেন, নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তিটি মূলত প্রতিরক্ষামূলক। এর লক্ষ্য সম্মিলিত প্রতিরোধ সক্ষমতা জোরদার করা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। এতে কোনো আক্রমণাত্মক, হস্তক্ষেপমূলক বা আগ্রাসী উপাদান নেই।
তিনি বলেন, চুক্তিটি কোনো নির্দিষ্ট দেশ, জোট বা কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিরুদ্ধে নয়। বরং এটি পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক, সামরিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে।
ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক জটিল হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে চৌধুরী বলেন, ‘আমি তা মনে করি না, একেবারেই না।’
তিনি বলেন, সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক বহু দশকের পুরোনো। জনগণ থেকে জনগণ, সরকার থেকে সরকার এবং সামরিক পর্যায়ে এসব সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।
চৌধুরী আরও বলেন, নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তিটি চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কেরও পরিপূরক। এটি বেইজিং বা অন্য কোনো কৌশলগত অংশীদারের সঙ্গে প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্যে করা হয়নি।
কোনো চুক্তিভুক্ত দেশ আক্রান্ত হলে পাকিস্তান কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে—এ বিষয়ে তিনি বলেন, পারস্পরিক প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির কার্যকরী ও সামরিক দিকগুলো প্রকাশ্যে জানানো হবে না। প্রয়োজন হলে তিন দেশ যৌথভাবে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে প্রতিক্রিয়ার ধরন নির্ধারণ করবে।
সূত্র: পার্সটুডে