সম্মেলনে রংপুর বিভাগের রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলার শতাধিক পাই ধানবীজের এজেন্ট অংশ নেন। বিপণনে অবদান রাখায় অনুষ্ঠানে ১০ জন এজেন্টকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পুষ্টিবাড়ি এগ্রিকালচার ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হাসান, পরিচালক (অর্থ) হাসিবুল ইসলাম ও বিপণন বিভাগের প্রধান শহীদুল ইসলাম। এ সময় নীলফামারী সদর উপজেলার খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের এজেন্ট আলমগীর হোসেন, গোড়গ্রাম ইউনিয়নের এনামুল হক ও পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের আব্দুর রহিমসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।
সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১৯ সালে মাত্র ১৩ কেজি বীজ দিয়ে ‘পাই-১০০১’ ধানবীজের যাত্রা শুরু হয়। কৃষক ও এজেন্টদের সহযোগিতায় ২০২৬ সালে এ বীজের বাজারজাত পরিমাণ ৭০ টনে পৌঁছেছে।
পরে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ‘পাই-১০০১’ ধানবীজে ভালো ফলন পাওয়া যায় এবং রোগবালাইয়ের প্রবণতা তুলনামূলক কম। এ জাতের ধানের ভাত সুস্বাদু বলেও দাবি করা হয়। প্রতি বিঘায় সর্বোচ্চ ৩৫ মণ পর্যন্ত ফলনের দাবি করা হয়েছে।
পুষ্টিবাড়ি এগ্রিকালচার ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, ‘মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই আমরা কৃষকদের আস্থা অর্জন করতে পেরেছি। প্রতিবছরই এই ধানবীজের চাহিদা বাড়ছে। আসছে বোরো মৌসুমে নীলফামারী জেলার কৃষকদের মাঝে ৭০ টন ধানবীজ বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই ধানবীজ রোগ প্রতিরোধী জাত। অল্প সময়ে ভালো ফলন পাওয়া যায় এবং রান্নার পর ভাত অন্তত ১৬ ঘণ্টা সংরক্ষিত থাকে। বিএসটিআই মান নিয়ন্ত্রিত এই ধানবীজকে রংপুর বিভাগে একটি ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’