অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মার্চে ১৭টি জাহাজের এলসি খোলা হলেও এখন পর্যন্ত মাত্র ৪টি জাহাজের জ্বালানি দেশে পৌঁছেছে। বাকি জাহাজগুলো অপেক্ষায় থাকলেও অনেক এলসির বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা মেলেনি। এপ্রিলের জন্যও ১৫টি জাহাজের এলসি খোলা হলেও সরবরাহ নিশ্চিত হয়নি।
সরকার দ্রুত সমাধানের জন্য মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। সব যাচাই-বাছাই শেষে সৌদি প্রিন্সের মালিকানাধীন পেট্রোগ্যাস ইন্টারন্যাশনাল-কে চূড়ান্ত করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে জরুরি ভিত্তিতে ১ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল এবং ২৫ হাজার মেট্রিক টন গ্যাসোলিন আমদানি করা হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা ও বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি থেকে দেশীয় বাজারকে সুরক্ষিত রাখতে সরকার সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। এ লক্ষ্যে আমদানি ছাড়াও অভ্যন্তরীণ কূপ খনন এবং বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।