ওই মুখপাত্র অবশ্য এই নিষেধজ্ঞা সম্পর্কে বেশি বিস্তারিত তথ্য দেননি, তবে গতকাল হুথি গোষ্ঠী নিয়ন্ত্রিত একটি ইয়েমেনি সংবাদমাধ্যমের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, এখন থেকে লোহিত সাগর এবং এ সাগরের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রবেশপথ নামে পরিচিত বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে সৌদির কোনো জাহাজ বা নৌযান দেখলেই সেটিকে হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করবে হুথি গোষ্ঠী।
তিনি আরও জানান, সৌদি আরব হুথি নিয়ন্ত্রিত উত্তর-পশ্চিম ইয়েমেনের সামুদ্রিক বন্দর এবং বিমানবন্দর অবরোধ করে রেখেছে। তার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে হুথি হাইকমান্ড।
এদিকে নিষেধাজ্ঞা জারির পর সৌদির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হুথি গোষ্ঠীর এই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে বলেছে, “লোহিত সাগরে নিজেদের জাহাজ-নৌযান রক্ষা করতে আন্তর্জাতিক আইন মেনে সবধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে রিয়াদ।”
সৌদি আরবের বৈদেশিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পণ্য রপ্তানির জন্য লোহিত সাগর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বেঁধে যাওয়া এবং হরমুজ প্রণালিতে ইরানি প্রতিরক্ষা বাহিনীর অবরোধ জারির পর জ্বালানি তেল রপ্তানির জন্য লোহিত সাগরের গুরুত্ব আরও বেড়েছে সৌদির কাছে।