মন্ত্রিসভা ঘোষণা বিলম্বিত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে বার্নহ্যাম বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের আগেই মন্ত্রিসভায় রদবদল শুরু করা হলে তা অপ্রয়োজনীয় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। তাই তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পরই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবেন।
রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমান অর্থমন্ত্রী র্যাচেল রিভসের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার দৌড়ে এডওয়ার্ড মিলিব্যান্ড ও শাবানা মাহমুদ এগিয়ে রয়েছেন।
দলের নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর দেওয়া ভাষণে বার্নহ্যাম তাঁর সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। তিনি সমাজসেবা (সোশ্যাল কেয়ার) ব্যবস্থার সংস্কার, জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা (এনএইচএস) শক্তিশালীকরণ এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন।
এদিকে ডানপন্থী রাজনীতিক নাইজেল ফারাজ দাবি করেছেন, জনমতের নতুন ম্যান্ডেট ছাড়াই বার্নহ্যাম ক্ষমতায় আসছেন। তিনি দ্রুত একটি সাধারণ নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন।
অন্যদিকে লিবারেল ডেমোক্র্যাট নেতা এডওয়ার্ড ডেভি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানিয়ে আরও সহযোগিতামূলক রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি পানি খাত, এনএইচএস এবং সমাজসেবা ব্যবস্থায় সংস্কারের পাশাপাশি পরিবারে সেবাদানকারীদের জন্য আরও সহায়তার দাবি জানান।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, সোমবার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। এরপর রাজা বার্নহ্যামকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। আমন্ত্রণ গ্রহণের পর তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন এবং ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে নতুন মন্ত্রিসভার যাত্রা শুরু করবেন।