রোমে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে মঙ্গলবার ও বুধবার রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি আলোচনার ষষ্ঠ দফা। চলতি বছরের ২ মার্চ ইসরাইল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই আলোচনা চলছে। বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের পরিপ্রেক্ষিতে এই যুদ্ধ শুরু হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত ২৬ জুন একটি কাঠামো চুক্তি হয়। এই চুক্তির আওতায় লেবানন ও ইসরাইল একটি ‘পাইলট জোন’ প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্মত হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো—যা হিজবুল্লাহকে ইঙ্গিত করে বলে মনে করা হচ্ছে—নিরস্ত্র হবে, দক্ষিণ লেবাননে লেবানিজ সেনা মোতায়েন করা হবে এবং লেবাননে অবস্থানরত ইসরাইলি বাহিনী ধাপে ধাপে সরে আসবে।
সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো লিখিত মন্তব্যে মার্কিন কর্মকর্তা দুই দিনের এই বৈঠককে ‘উৎপাদনশীল ও ইতিবাচক’ বলে বর্ণনা করেছেন।
রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘পাইলট জোন প্রক্রিয়ার কাঠামো ও নির্দেশিকা নিয়ে আমরা একমত হয়েছি, যা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত ও বাস্তবায়িত হবে।’
এই কর্মকর্তা আরও জানান, আলোচনা এখন কারিগরি পর্যায়ে যাবে। লক্ষ্য হলো কাঠামো চুক্তি বাস্তবায়ন করা এবং ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে একটি ‘ব্যাপক চুক্তি’তে পৌঁছানো।