এ বিষয়ে ‘উৎপাদিত বা আমদানিকৃত তামাকযুক্ত সিগারেটের মূল্য নির্ধারণসহ প্যাকেটে স্ট্যাম্প বা ব্যান্ডরোল ব্যবহার পদ্ধতি বিধিমালা, ২০১৯’-এ সংশোধন আনা হয়েছে।
এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্কসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) তা বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।
মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ১৩৫ ও ধারা ৫৮-এর সঙ্গে পাঠ করে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বিধিমালার বিধি ৫-এর উপবিধি (৪) পরিবর্তন করে নতুন উপবিধি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য, প্যাকেটে থাকা শলাকার সংখ্যা, প্যাকেটের ধরন এবং নির্ধারিত নকশার ভিত্তিতে স্ট্যাম্প বা ব্যান্ডরোল ব্যবহার করতে হবে।
নতুন তালিকা অনুযায়ী, প্রতি ১০ শলাকার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬৫ টাকা বা তার বেশি হলে ১০ শলাকার ‘শেল অ্যান্ড স্লাইড’ প্যাকেটে হালকা সবুজ নকশার ব্যান্ডরোল ব্যবহার করতে হবে। একই মূল্যসীমায় ১০ ও ২০ শলাকার ‘হার্ড অ্যান্ড সফট’ প্যাকেটে হালকা খয়েরি নকশার স্ট্যাম্প ব্যবহারের বিধান রাখা হয়েছে।
প্রতি ১০ শলাকার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৯২ টাকা বা তার বেশি হলে ১০ শলাকার ‘শেল অ্যান্ড স্লাইড’ প্যাকেটে হালকা গোলাপি নকশার ব্যান্ডরোল ব্যবহার করতে হবে। একই মূল্যসীমায় ১০ ও ২০ শলাকার ‘হার্ড অ্যান্ড সফট’ প্যাকেটে হালকা সবুজ নকশার স্ট্যাম্প ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।
এ ছাড়া প্রতি ১০ শলাকার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা বা তার বেশি হলে ১০, ১২ ও ২০ শলাকার ‘হার্ড অ্যান্ড সফট’ প্যাকেটে হালকা নীল নকশার স্ট্যাম্প ব্যবহার করতে হবে।
অন্যদিকে, প্রতি ১০ শলাকার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২১০ টাকা বা তার বেশি হলে ১০, ১২ ও ২০ শলাকার ‘হার্ড অ্যান্ড সফট’ প্যাকেটে হালকা মেরুন নকশার স্ট্যাম্প ব্যবহারের বিধান করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সিগারেটের প্যাকেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য, শলাকার সংখ্যা, প্যাকেটের ধরন ও নির্ধারিত নকশা অনুযায়ী, বিধি ৬-এর বিধান অনুসরণ করে স্ট্যাম্প বা ব্যান্ডরোল ব্যবহার করতে হবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আদেশক্রমে ভারপ্রাপ্ত সচিব ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিব প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেছেন। সংশোধিত বিধানটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।