সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তা জে ডি ভ্যান্স বলেছেন, “ইরান একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, আমরা তাকে সম্মান জানিয়েছি। যদি তারা চুক্তির ব্যাপারে কোনো প্রকার দ্বিমত পোষন করে, তাহলে খুব সহজেই টেলিফোনে তা আমাদের কিংবা মধ্যস্থতাকারীদের জানাতে পারে; কিন্তু সহিংসতা কোনো ভাবেই কাম্য নয়। যে কোনো সহিংসতার জবাব আমরা সহিংসতার মাধ্যমেই দেবো।”
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী বিদেশি জাহাজগুলো থেকে টোল আদায়ের ঘোষণা দিয়েছে ইরান, সেইসঙ্গে তেহরান বলেছে— হরমুজ দিয়ে চলাচল করতে হলে বিদেশি জাহাজগুলোকে ইরানের হরমুজ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে।
বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালির ওমান উপকূল ধরে এগিয়ে যাচ্ছিল সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী জাহাজ এভার লাভলি। ইরানি কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নেওয়ায় সেই জাহাজটিতে বিস্ফোরক ড্রোন নিক্ষেপ করে আইআরজিসি। আইআরজিসির সেই হামলার ২৪ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হওয়ার আগেই ইরানের ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ডিপো ও রাডার সিস্টেমে হামলা করে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টকোম।
এদিকে মার্কিন বাহিনীর হামলার কয়েক ঘণ্টা পর মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা করার দাবি জানিয়ে বিবৃতি দেয় ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। বিবৃতিতে সেন্টকোমের হামলাকে ‘উসকানিমূলক’ উল্লেখ করে আইআরজিসির পক্ষ থেকে বলা হয়, “হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল এখন থেকে পুরোপুরি ইরানের সঙ্গে বোঝাপড়ার ওপর নির্ভর করবে। ভবিষ্যতে যে কোনো ধরনের উসকানিমূলক হামলা করা হলে তার জবাব হবে আরও ব্যাপক এবং কঠিন।”
সূত্র : এএফপি, এনডিটিভি