বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে সরদার জাহিদের সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। পদ্মনগরে এক স্কুলছাত্রীকে কেন্দ্র করে সংঘটিত ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে এবং প্রকৃত ঘটনার আড়ালে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে তার নাম উদ্দেশ্যমূলকভাবে জড়ানো হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে ভুক্তভোগী শিশুর পিতা ও মাতা বলেন, “ঘটনার সঙ্গে সরদার জাহিদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। কিছু ব্যক্তি ও একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার নাম জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেছে, যার ফলে আমাদের পরিবারও চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে।”
তারা আরও বলেন, “আমাদের মেয়ে দোকানে গেলে দোকানদারের অসদাচরণের শিকার হয়েছিল। কিন্তু আমরা কোথাও ধর্ষণ বা ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ করিনি। পরবর্তীতে বিভিন্ন মাধ্যমে ভুল ও অতিরঞ্জিত সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় আমরা সামাজিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি। এমনকি মেয়েটির লেখাপড়াও ব্যাহত হয়েছে।”
ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং মিথ্যা তথ্য প্রচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরদার জাহিদ দীর্ঘদিন ধরে এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং জনকল্যাণমূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। একজন জনপ্রিয় ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে তার গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট করতেই এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে তারা মনে করেন।
মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, মিথ্যা অপপ্রচার বন্ধ এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
কর্মসূচিতে জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্থানীয় ব্যবসায়ী, সুধী সমাজ, পেশাজীবী সংগঠন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও সর্বস্তরের জনগণ অংশ নিয়ে সরদার জাহিদের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন।