সকাল থেকেই ঢাকার প্রধান সড়কগুলোতে দীর্ঘ যানবাহনের সারি দেখা গেছে। বিশেষ করে যাত্রাবাড়ী-সায়েদাবাদ-চট্টগ্রাম রোড, গুলিস্তান-পল্টন-শাহবাগ, ফার্মগেট এলাকা এবং আশপাশের সড়কে যানবাহন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।
রমজানের দুপুরের পর অফিস শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘনবসতিপূর্ণ রাস্তায় যানজট আরও তীব্র হয়েছে। অনেক যাত্রী বাস থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে বাধ্য হয়েছেন। সাইরেন বাজিয়ে অনেক অ্যাম্বুলেন্সও জ্যামে আটকে থাকতে দেখা গেছে।
সাইরেন বাজিয়ে অনেক অ্যাম্বুলেন্সও জ্যামে আটকে থাকতে দেখা গেছে। ট্রাফিক পুলিশ অতিরিক্ত সতর্কতা এবং কর্মী মোতায়েনের মাধ্যমে যানজট নিরসনে কাজ করছে।
রমনা ট্রাফিক বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক রনি কুমার সাহা জানান, ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপ ও সাধারণ অফিস ছুটির মিলিত প্রভাবের কারণে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। তিনি সকলকে ট্রাফিক আইন মেনে চলার পাশাপাশি রাস্তা অবরোধ না করার আহ্বান জানান।
ট্রাফিক সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সঠিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও সচেতনতা থাকলে ঈদযাত্রার চাপ কিছুটা কমানো সম্ভব হবে।