শেষ ওভারে জয়ের জন্য যখন প্রতিটি রান ছিল মূল্যবান, তখন রাজ বাওয়া শেষ ওভার শুরু করেন একটি ওয়াইড এবং একটি নো-বল দিয়ে। পুরো ওভারে তিনি মোট ৫টি অতিরিক্ত রান দেন। এর মধ্যে ওয়াইড ছিল চারটি এবং একটি নো।
ম্যাচের একদম শেষ বলে আরসিবির প্রয়োজন ছিল ২ রান। রসিক সালাম দার একটি শট সরাসরি বোলারের দিকে খেলেন। রাজ বাওয়া বলটি ধরতে পারেননি এবং বলটি চলে যায় মিড-অন অঞ্চলে। বলটি মিস করে রাজ বাওয়া দাঁড়িয়ে ছিলেন উইকেটের মাঝখানেই। ততক্ষণে রসিক দার দুই রান পূর্ণ করে উল্লাসে ফেঁটে মেতে ওঠেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে যায়, ফিল্ডার যদি উইকেটরক্ষকের পরিবর্তে বোলারের এন্ডে বল ছুড়তেন, তবে নন-স্ট্রাইকার ব্যাটার হয়তো ক্রিজের বাইরে থাকতে এবং ম্যাচটি সুপার ওভারে গড়াতো।
এই হারের পর ১১ ম্যাচ শেষে মাত্র ৭ পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পেরেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। শেষ তিন ম্যাচ জিতলে তাদের পয়েন্ট হবে ১২। কিন্তু ইতোমধ্যে শীর্ষ চার দলের পয়েন্ট মুম্বাইয়ের সম্ভাব্য ১২ পয়েন্টের বেশি। তাই নিশ্চিতভাবেই বাদ পড়ে যায় তারা।
শেষ ওভারে দলকে জেতাতে না পারলেও অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব অবশ্য তরুণ রাজ বাওয়ার পক্ষই নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সে সারা বছর ধরে কঠোর অনুশীলন করেছে। শেষ ওভারের দায়িত্ব নেওয়া এবং ম্যাচের মোড় প্রায় ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য আমি তাকে দোষ দেব না।’
উল্লেখ্য, ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬৬ রান করে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। জবাবে খেলতে নেমে ২ উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত হয় বেঙ্গালুরুর। ৪ ওভারে মাত্র ২৩ রানের খরচায় সর্বোচ্চ চার উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন বুভনেশ্বর কুমার।