জাতীয় দল কমিটির চেয়ারম্যান বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল স্বয়ং। তিনি সভা শেষে ফর্টিজ ডাউনটাউনে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা কোচ নিয়োগ নিয়ে কাজ করছি। ১৫ মে পর্যন্ত অপেক্ষা বলছি।’
২০১৬ সালে রিও অলিম্পিকে ব্রাজিলকে স্বর্ণ জিতিয়েছিলেন রোজারিও মিকেল। তিনি ব্রাজিলের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাবে যোগ দিচ্ছেন এমন তথ্য জানা গেছে। মিকেলকে নিয়ে প্রশ্ন হলে বাফুফে সভাপতি বলেন, ‘আমরা ইন্ডিভিজুয়াল কোনো কিছু নিয়ে তথ্য দিচ্ছি না। আমাদের সাথে অনেকের আলোচনা চলছে। আমরা যেমন ওপেন রয়েছি, তারাও ওপেন আছেন।’
জাতীয় দল কমিটির আজকের সভায় মূলত গত কয়েক দিন সাক্ষাৎকার নেয়া কোচদের পর্যালোচনা করা হয়েছে। সভা সূত্রের খবর, সেই পর্যালোচনায় ছয় জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা হয়েছে। এই ছয় জনের সঙ্গে আগামীকাল থেকে বেতন, আনুষাঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা কতটুকু না হলেই নয়- এই বিষয়গুলো নিয়ে চলবে দর কষাকষি।
কোন কোচকে কত ডলার দিয়ে দর দাম শুরু ও শেষ সেটারও আলোচনা হয়েছে আজকের সভায়। দুই পক্ষের দর কষাকষির পর আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে জাতীয় দল কমিটি আরেকটি সভা করবে। সেই সভায় নাম চূড়ান্ত করে নির্বাহী কমিটির সভায় অনুমোদন হতে পারে।
জাতীয় দল কমিটির সভায় চেয়ারম্যান তাবিথ আউয়াল কোনো এক কোচকে প্রাধান্য বা এক নম্বর বিবেচনা করা যেতে পারে- এমন প্রস্তাব দেন। তখন ওয়েলসের সাবেক কোচ ক্রিস কোলম্যানের কথা বলেন। তিনি বাংলাদেশের ফুটবলে আসলে উন্নতি হবে এবং বিশ্ব ফুটবলেও বাংলাদেশ আলোচনায় থাকবে এমন যুক্তি দেন। কমিটির অন্য সদস্যরাও একমত হয়ে কোলম্যানকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার বিবেচনা জানান। তবে কোলম্যানের পাশাপাশি জার্মান কোচ মাইকেল লিস এবং আরও চার কোচকেও এই প্রক্রিয়ায় রাখছে ফেডারেশন। যে কোচের সঙ্গে সব কিছু ইতিবাচক হিসেবে মিলবে, তিনিই হবেন হামজাদের পরবর্তী কোচ।
বাংলাদেশ দলের কোচ হওয়ার জন্য এবার অনেক হাই প্রোফাইল ব্যক্তি আবেদন করেছেন। বাফুফে হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরাকে ১৩ হাজার ইউরো প্রদান করত। বাফুফের পক্ষে হেড কোচের জন্য ২০ হাজার ডলারের বেশি প্রদান করা কঠিন। বাজেট নিয়ে আজ প্রশ্ন হলে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘অবশ্যই বাজেট একটা ফ্যাক্ট এবং বাফুফের একটি বাজেট রয়েছে। বাফুফের বাজেটের চেয়ে বেশি হলে সেটা সরকার, স্পন্সর ও ডোনার অর্গানাইজেশনের সঙ্গে আলাপ করে সংস্থানের চেষ্টা করা হবে। কিন্তু সিদ্ধান্ত নিতে হবে বাফুফেকেই।’