শনিবার (৬ জুন) বিকেলে শহরের সেঞ্চুরি মোটেলের একটি কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত বিপুল চন্দ্র পাল এরুলিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য এবং এরুলিয়া পালপাড়া এলাকার জিতেন্দ্রনাথ পালের ছেলে।
উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জালাল উদ্দীন জানান, দুপুর সোয়া ১টার দিকে মোটেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খবর পাওয়া যায় যে একটি কক্ষ ভেতর থেকে বন্ধ রয়েছে এবং অনেক ডাকাডাকির পরও ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। পরে থানা পুলিশ ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে কক্ষের দরজা খোলা হয়। ভেতরে বিপুল চন্দ্র পালকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরবর্তীতে নিশ্চিত হওয়া যায় তিনি মারা গেছেন।
পুলিশ জানায়, শনিবার সকাল ৯টার দিকে তিনি মোটেলের ওই কক্ষটি ভাড়া নিয়েছিলেন। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে তার শরীরে কোনো ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
তবে কক্ষ তল্লাশি করে একটি যৌন উত্তেজক সিরাপ, একটি ঘুমের ওষুধ, একটি কোমল পানীয়র বোতল এবং একটি পানির বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এসব আলামত জব্দ করেছে পুলিশ।
মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় নানা আলোচনা শুরু হলেও পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের অগ্রগতি ছাড়া মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। আপাতত একটি বন্ধ কক্ষ, কিছু আলামত এবং এক সাবেক জনপ্রতিনিধির নিথর দেহ—এগুলোই তদন্তের প্রধান সূত্র হয়ে উঠেছে।