পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে পরেরদিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সব মসজিদে রাতব্যাপী ওয়াজ মাহফিল, ধর্মীয় বয়ান এবং আখেরি মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। এশার নামাজ ও তারাবিহের পর বিশেষ দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এবং তবারক বিতরণ করা হয়। মুসল্লিরা সারারাত নামাজ, জিকির ও কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করেন।
শবে কদরের রাত আল্লাহর কাছে দোয়া করার বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। এ রাতে বান্দারা দুহাত তুলে কাঁদেন এবং গুনাহ মাফের জন্য প্রার্থনা করেন। মহান আল্লাহতায়ালা এই রাতের বরকতে সকল গুনাহ মাফ করে দেন।
পবিত্র রমজান মাসে কোরআন নাজিল হয়েছিল লাইলাতুল কদরের রাতে, যা রাতটির তাৎপর্য আরও বৃদ্ধি করেছে। মুসল্লিরা মসজিদে ইবাদাতের পাশাপাশি বাসায় নারীরাও ইবাদাত করেন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসী ও বিশ্বের মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বাণীতে তিনি লাইলাতুল কদরের অসীম রহমত ও বরকতের কামনা করেছেন এবং এই রাতের শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন।