ডব্লিউএইচও-র সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভ্যন ক্যারকোহভ জানিয়েছেন, আক্রান্ত প্রমোদতরী ‘এমভি হন্ডিয়াস’-এর সবাইকে মাস্ক পরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে যারা সন্দেহভাজন রোগীদের সংস্পর্শে আসছেন বা সেবা দিচ্ছেন, তাদের পিপিইসহ উন্নত সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, এটি কোভিড বা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো নয় এবং এটি নতুন কোনো মহামারির শুরুও নয়; বরং একটি নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ প্রাদুর্ভাব মাত্র।
সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস জানান, আক্রান্তদের মধ্যে প্রথম দুই ব্যক্তি আর্জেন্টিনা, চিলি ও উরুগুয়েতে পাখি পর্যবেক্ষণে গিয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে হান্টাভাইরাস বহনকারী বিশেষ প্রজাতির ইঁদুরের সংস্পর্শে আসায় তারা সংক্রমিত হন। বর্তমানে ডব্লিউএইচও এবং আর্জেন্টিনা কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে তাদের যাতায়াতের স্থানগুলো নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চালাচ্ছে।
হান্টাভাইরাস মূলত ইঁদুর বা বন্য নেংটি ইঁদুরের মলমূত্র বা লালার মাধ্যমে ছড়ায়। এটি মানুষের শ্বাসযন্ত্রে আক্রমণ করে মারাত্মক জটিলতা তৈরি করতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ভাইরাসটি সাধারণত খুব কাছাকাছি সংস্পর্শে এলে ছড়ায়। বর্তমানে ওই জাহাজে থাকা আরও কতজন সংক্রমিত হয়েছেন, তা শনাক্ত করার কাজ চলছে। তবে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।