শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Channel18

খেলাধুলা

সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নসহ যেসব দেশ বিশ্বকাপ বয়কট করেছিল

সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নসহ যেসব দেশ বিশ্বকাপ বয়কট করেছিল

ফিফার বিভিন্ন টুর্নামেন্টের শেয়ার বিক্রির প্রস্তাবে উয়েফা সদস্যদের বিশ্বকাপ বয়কটের হুংকার এখন ফুটবল বিশ্বের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। তবে কোনো দল বা মহাদেশীয় সংস্থার ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে এমন কঠোর অবস্থান নেওয়ার নজির ইতিহাসে এবারই প্রথম নয়।

ইউরোপীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা সম্প্রতি ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রস্তাবিত ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই আসরের শেয়ার বিক্রির বিতর্কিত পরিকল্পনার প্রতিবাদে বিশ্বকাপ বয়কটের পক্ষে ভোট দিয়েছে।

উয়েফার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে উত্তর ও মধ্য আমেরিকার ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘কনকাকাফ’। উত্তর ও মধ্য আমেরিকায় সদ্য সমাপ্ত হওয়া এ বছরের বিশ্বকাপের আয়োজক সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের ৪১টি সদস্য সংস্থাই ইনফান্তিনোর এই প্রস্তাবটি ‘প্রত্যাখ্যান’ করেছে।

উয়েফার মতো শক্তিশালী কোনো সংস্থা আগে কখনো সরাসরি এমন বর্জনের হুমকি না দিলেও, ভূ-রাজনীতি কিংবা ফুটবলের অভ্যন্তরীণ কারণে বিভিন্ন দেশ ও পরিচালনা পর্ষদের বিশ্বকাপ বর্জন করার বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক উদাহরণ রয়েছে।

১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে চার বছর পর ১৯৩৪ সালের বিশ্বকাপে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানায়। দক্ষিণ আমেরিকায় আয়োজিত সেই প্রথম টুর্নামেন্টে পর্যাপ্ত ইউরোপীয় দল অংশ না নেওয়ার প্রতিবাদেই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯৩৮ সালে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় প্রতিবেশী দেশ আর্জেন্টিনাও, যারা নিজেরা সেই টুর্নামেন্ট আয়োজনের আশা করেছিল।

অন্যদিকে, ১৯৫৮ বিশ্বকাপের এশিয়ান বাছাইপর্বে ইসরায়েলের বিপক্ষে খেলতে অস্বীকৃতি জানায় তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, মিসর ও সুদান। পরবর্তীতে ইসরায়েলকে হারাতে একটি বিশেষ প্লে-অফ ম্যাচ খেলতে হয়েছিল ওয়েলসকে।

১৯৬৪ সালের অক্টোবরে আফ্রিকান ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ‘ক্যাফ’-এর অন্তর্ভুক্ত ১৫টি আফ্রিকান দেশ বাছাইপর্ব থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেয়। তাদের ক্ষোভ ছিল—যেখানে ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে ইউরোপের জন্য ১০টি স্পট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, সেখানে আফ্রিকা, এশিয়া ও ওশেনিয়া মহাদেশের জন্য যৌথভাবে মাত্র ১টি স্পট রাখা স্পষ্টতই বৈষম্যমূলক।

এর আট বছর পর, ১৯৭৩ সালে চিলিতে অগুস্তো পিনোশের ক্ষমতা দখলের পর সেনা অভ্যুত্থান ঘটে। এর প্রতিবাদে সান্তিয়াগোতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া প্লে-অফ টাইয়ের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচটি খেলতে অস্বীকার করে সোভিয়েত ইউনিয়ন। ফলে চিলির একাদশ একাই সান্তিয়াগোর ‘এস্তাদিও নাসিওনাল’ মাঠে নামে এবং কিক-অফের পর অধিনায়ক ফ্রান্সিসকো ভালদেস হেঁটে গিয়ে ফাঁকা জালে বল প্রবেশ করান। পরবর্তীতে চিলিকে ২-০ গোলে জয়ী ঘোষণা করা হয়।

আরও

আমি এবং আমার বোর্ড ব্যর্থতাকে ভয় পাই না : তামিম ইকবাল

খেলাধুলা

আমি এবং আমার বোর্ড ব্যর্থতাকে ভয় পাই না : তামিম ইকবাল

জল্পনা শেষে রোববার রাতে একটি পাঁচ তারকা হোটেলে উদ্বোধন হয়েছে ডমেস্টিক থ্রি বা ডি থ্রি নামে নতুন ঘরোয়া টুর্নামেন্টের। অনু...

২০২৬-০৯-২৮ ১৪:০২

বিসিবির নতুন টুর্নামেন্ট শুরু ১২ ডিসেম্বর, বরিশালে ফাইনাল

খেলাধুলা

বিসিবির নতুন টুর্নামেন্ট শুরু ১২ ডিসেম্বর, বরিশালে ফাইনাল

৩ অক্টোবর থেকে মাঠে গড়াবে লাল বলের ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগ (এনসিএল)। এরপর হবে ওয়ানডে এবং সবশেষ টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের খেলা অ...

২০২৬-০৯-২৭ ১০:১১