যে ট্রেনগুলো বিমানবন্দর স্টেশনে থামবে না সেগুলো হলো— একতা এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস, পঞ্চগড় এক্সপ্রেস, নীলসাগর এক্সপ্রেস, কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস, লালমনি এক্সপ্রেস, রংপুর এক্সপ্রেস, চিলাহাটি এক্সপ্রেস ও বুড়িমারী এক্সপ্রেস।
এছাড়া ঢাকা থেকে বিমানবন্দর এবং বিমানবন্দর থেকে ঢাকা স্টেশন পর্যন্ত কোনো আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট ইস্যু না করার সিদ্ধান্তও কার্যকর করা হয়েছে।
যাত্রীচাপ সামলাতে ট্রেনের প্রস্থান স্থানেও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। সুন্দরবন, মধুমতি, বেনাপোল ও জাহানাবাদ এক্সপ্রেসের পাশাপাশি রূপসী বাংলা এবং নকশীকাঁথা কমিউটার ট্রেন এখন থেকে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের মূল প্ল্যাটফর্মের পরিবর্তে শহরতলি প্ল্যাটফর্ম থেকে ছেড়ে যাবে।
এছাড়া প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে এবং সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ঈদের আগে ও পরে মোট ২০ দিন ট্রেনে কোনো বিশেষ ‘সেলুনকার’ সংযোজন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
নিরাপত্তা জোরদারে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনাসহ দেশের বড় স্টেশনগুলোতে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। বিনা টিকিটে যাত্রী প্রবেশ ঠেকাতে জিআরপি, আরএনবি, বিজিবি, র্যাব ও স্থানীয় পুলিশের সমন্বয়ে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঠেকাতে চলন্ত ট্রেন ও রেললাইনে গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।