পরিকল্পিত টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের তালিকায় সর্বশেষ যুক্ত হয়েছেন রাঙ্গুনিয়ার যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরী। এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা নিয়ে বিরোধের বিষয়টি সামনে এসেছে।
নিহত মাসুদের ভাই দিদারুল হক বলেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা করার কথা ছিল মাসুদের।
গত দুই বছরে পুলিশের সর্বোচ্চ পদে চারবার রদবদল হয়েছে। চৌকস কর্মকর্তারা আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকলেও এসব খুনের সঙ্গে জড়িতদের কাউকেই আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি।
চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, সন্ত্রাসীরা প্রতিবারই তাদের মিশন শেষ করে রাউজানের দুর্গম এলাকায় গিয়ে আশ্রয় নেয়। তাদেরকে ধরতে না পারার পেছনে ভৌগলিক কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
বিশিষ্টজনদের মতে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সৃষ্ট ক্ষমতার শূন্যতা, অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং স্থানীয় আধিপত্যের দ্বন্দ্ব রাউজানে সহিংসতার মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে। এর পেছনে রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের ভূমিকা রয়েছে বলেও তারা মনে করেন।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সৃষ্ট ক্ষমতার শূন্যতা, অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং স্থানীয় আধিপত্যের দ্বন্দ্ব রাউজানে সহিংসতার মাত্রা বাড়িয়েছে। আর এর পেছনে কলকাঠি নাড়ছে রাজনৈতিক প্রভাবশালীরা।
এসব হত্যাকাণ্ডের পেছনে রাজনৈতিক প্রভাবের পাশাপাশি বালু, মাটি, পাহাড় দখল এবং গাছের ব্যবসা নিয়ে বিরোধও রয়েছে। গত দুই বছরে খুন হওয়া ২৮ জনের মধ্যে ১৮ জনই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী।