বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালটির মুখপাত্র ডা. শংকর কে বিশ্বাস।
তিনি জানান, মার্চ মাসের শুরু থেকে এ পর্যন্ত হাসপাতালটিতে সন্দেহভাজন হাম নিয়ে মোট ৩৪০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। ভর্তি হওয়া সব রোগীকে প্রাথমিকভাবে ‘সন্দেহভাজন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, এটি নিশ্চিতভাবে হাম কি না তা পরীক্ষা করা বেশ সময়সাপেক্ষ ব্যাপার এবং বর্তমানে রাজশাহীতে এই পরীক্ষার সুবিধা নেই। তবে গত এক মাসে রামেক হাসপাতালে হামে নিশ্চিতভাবে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানান তিনি।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হামের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। এছাড়া নওগাঁ, নাটোর ও পাবনা জেলাতেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হামের রোগী শনাক্ত হয়েছেন। শুধু রাজশাহী বিভাগই নয়, খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর এবং ঢাকা বিভাগের রাজবাড়ী ও ফরিদপুর জেলার রোগীরাও বর্তমানে রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রোগীর ক্রমবর্ধমান চাপ প্রসঙ্গে ডা. শংকর কে বিশ্বাস বলেন, "রোগীর সংখ্যা যদি আরও বাড়ে, তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাদের আইসোলেশন সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।