সোমবার (৪ মে) ডিএমপির পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা ও অন্যান্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের তালিকায় একজন শিশুও রয়েছে, যাকে ‘আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- মামুন হাওলাদার (২৪), মোঃ ইব্রাহিম (২০), মোঃ গোলাম রাব্বি (২৪), মোছাঃ ছকিনা বেগম (৩০), মোছাঃ সাদিনা বেগম (৩৮), মোঃ আনোয়ার হোসেন (২৮), মোসাঃ সালমা ওরফে ছালমা বেগম (৪৬), মোছাঃ রাজিয়া বেগম (৩৫), মোঃ সেলিম গাজী (৩৮), মোঃ ফরিদুজ্জামান (৫০), রাজু (২৮), শাকিল হোসাইন (২২), মোঃ সেলিম মিয়া ওরফে সাগর (৪২), মোঃ সবুজ (২৩), মোঃ জাহিদ (২১), উইলিয়াম নিক্সন গমেজ ওরফে ভিকি (৩৩), মোঃ সাকিব হোসেন জাবের (২৪), মোঃ রেজাউল করিম রেজা (৫৫), মোঃ আকাশ (২৪), মোঃ রবি (৩০), মোঃ ওয়াসিম (২২), মোঃ ইলিয়াস হোসেন (২৬), মোঃ আমিনুল ইসলাম (৩৫), মোঃ জিল্লুর রহমান (৪২), মোঃ আব্দুর রাজ্জাক (৫৫), মোঃ রমজান (২০), মোঃ নয়ন (২২), মোঃ মুন্না (২৭), মোঃ ইমরান (২৬), মোঃ আনিছুর রহমান (৩৭), মোঃ সুমন, মোঃ সুমন, মোঃ সুমন, আক্তার (২৫), মোঃ আরিফ (২৬), কালু শহিদ (৩৮), মোঃ সুমন শেখ (২৩), মোঃ মাহাবুল (৩৭), মোঃ মাসুম (৩৫), মোঃ আব্বাস (২৪), মোঃ ফজলে রাব্বি (২৩), মোঃ কাউসার (২০), মোঃ মুরাদ (৪১), তারিক (১৮), মোঃ আশরাফ (২৮), মোঃ স্বপন (২৩), মোঃ রুবেল (১৮), আলমগীর হোসেন (৩৪), মোঃ সাহেব উদ্দীন (৩২), মোঃ মারুফ (১৯), মোঃ আবুল কালাম আজাদ (৫০), মোঃ মিলন (৩০), মো: মোস্তফা (৪০), খালেদ আহমেদ (৩৫), মোছা: ইয়াছমিন আক্তার (৩১), মোঃ রায়হান মিয়া (২৫), মোঃ আয়নুল ইসলাম (২৫), মোঃ মুন্না (২৪), মারুফ (২৪), আখি আক্তার, সানজিদা আক্তার (২০), সুমাইয়া রহমান (১৯), আল আমিন হোসেন শুভ (২৭), মেহেদী হাসান জুয়েল (২৮), মোঃ মাহিম (২৫), মোঃ তারেক (৩৫), মোঃ শাহিন (২৮), রিপন (৩৫), মোঃ রমজান (২৬), হোসাইন মোহাম্মদ (৩০), মোঃ রিয়াজ (২২), মোঃ রবিউল (২২) ও মোঃ মিলন মিয়া (২৪)।
তেজগাঁও বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিভাগের অধীন থানাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গ্রেপ্তার হয়েছে মোহাম্মদপুর থানায়। বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার দায়ে সেখান থেকে ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া তেজগাঁও থানায় ১৫ জন, শেরেবাংলা নগর থানায় ১০ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ১০ জন, হাতিরঝিল থানায় ৯ জন এবং আদাবর থানায় ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এলাকায় অপরাধের প্রবণতা কমাতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়েরের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে।