‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬’ উপলক্ষে শনিবার (৯ মে) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান। আগামী ১০ মে এ কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ পুলিশের সব সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, একটি রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা, সুশাসন ও উন্নয়ন অনেকাংশে নির্ভর করে পুলিশ বাহিনীর সততা, নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলার ওপর। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন এবং সংকটকালীন সময়েও পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন এবং এজন্য বাহিনীর সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, আধুনিক যুগে অপরাধের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। সাইবার স্পেস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নানা ধরনের অপরাধ যেমন—মিথ্যাচার, প্রতারণা, জঙ্গিবাদ, মাদক ও মানবপাচার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এ ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের আধুনিক প্রযুক্তি যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডেটা বিশ্লেষণ, সিসিটিভি নজরদারি ও ডিজিটাল ফরেনসিকসে দক্ষ করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বাহিনীর ভাবমূর্তি রক্ষায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার, সেবামুখী মনোভাব গঠন এবং মানবাধিকার রক্ষার মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে হবে।