সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফেনীর পরশুরাম উপজেলার ঘাটঘর এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচির স্থান পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রকল্প অনুমোদনের সময় আমাদের টেকনিশিয়ানরা প্রকল্পটি কতটুকু টেকসই হবে এবং মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে কি না, তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার শুরুতেই বলেছে, আমরা দুর্নীতিকে সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে চাই। সে অনুযায়ী আমরা কাজ করছি।’
আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আগামী ১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী ফেনীর মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের কাজের উদ্বোধন করবেন। এর আগে বিভিন্ন সময়ে প্রকল্পটির জন্য বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হলেও তা মানুষের প্রত্যাশিত জায়গায় পৌঁছাতে পারেনি। এ কারণে বাঁধের কাজ কতটা টেকসই হবে, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে এখনো শঙ্কা রয়েছে।
তিনি বলেন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়ে মানুষের মধ্যে ভালো ধারণা নেই। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি নিয়ে প্রতি মাসে সভা করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতি মাসে দুইবার টাস্কফোর্সের সভায় প্রকল্পের কাজ পর্যালোচনা করা হয়। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এবং প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে হচ্ছে কি না, সেসব বিষয়ও তদারকি করা হচ্ছে।
প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয়দের সহযোগিতা চেয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকেও প্রকল্পের কাজে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। প্রকৌশলী বা ঠিকাদার কাজ শেষ করে চলে গেলেও স্থানীয় মানুষই দীর্ঘদিন প্রকল্পের সুবিধা-অসুবিধা ভোগ করবেন। তাই প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে হচ্ছে কি না, তা স্থানীয়দেরও নজরদারি করতে হবে।
এ সময় ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিমসহ মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।