সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায় ১০ লাখ ৬৯ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। যথাযথভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকার কাজ শুরু করেছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে ৩৩ জনের ৮৫৪ জনের ফাইনাল অ্যাপ্লিকেশন এসেছে।’ ডিপিও ইস্যু করে নিয়োগপত্র দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি।
নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ভেরিফিকেশনের সময় অনেকের ঠিকানা পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে এসেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ কারণে কিছু প্রার্থীর ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হতে সময় লাগছে। পর্যায়ক্রমে ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যাচ্ছে এবং সেগুলো যাচাই করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে ভেরিফিকেশন হচ্ছে। যাদের ভেরিফিকেশন এখনো হয়নি, সেগুলো আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি এবং রিভিউ করছি। ১ অক্টোবর পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলবে।’
মন্ত্রী জানান, এখন পর্যন্ত ৮১৭ জন নিয়োগবঞ্চিত রয়েছেন। তাদের ১ অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে কাজ চলছে। এরপরও যারা নিয়োগ পাবেন না, তাদের বিষয়েও পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।