ব্যক্তিগত এ সংবাদ সম্মেলনের ব্যানারে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করায় শুরুতেই সাংবাদিকদের তোপের মুখে পড়েন আয়োজকরা।
পরে সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে অভিযুক্ত আলমগীর সিদ্দিকী সাংবাদিকদের ফ্যাসিবাদের দোসর আখ্যা দিলে হট্টগোল শুরু হয়ে যায়। এক পর্যায়ে আলমগীর সিদ্দিকীকে সাংবাদিকদের ফ্যাসিবাদের দোসর আখ্যা দেয়ার কারণ জানতে চাওয়া হয়। এর সদুত্তর না দিতে না পারায় আয়োজক ও সাংবাদিকদের মাঝে হৈ-হুল্লোড় সৃস্টি হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে অনুসারীদের সহায়তায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজনকারী আলমগীর সিদ্দিকী সটকে পড়েন।
উপস্থিত সংবাদকর্মীরা জানান, পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে তিনি সংক্ষুব্ধ হলে প্রতিবাদ দিতে পারেন, চাইলে মামলাও করতে পারেন। কিন্তু তিনি যেভাবে সবাইকে গালমন্দ করলেন, ফ্যাসিবাদের দোসর আখ্যা দিলেন, সেটি মোটেই প্রত্যাশিত নয়।
এসময় তিনি ব্যক্তিগত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করেন। ব্যানারে নিজের দলীয় পদ-পদবী ব্যবহার করলেও সংবাদ সম্মেলনটি ছিল তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় সংবাদের জেরে। তার এমন অপরিপক্ক সিদ্ধান্তে জেলা ও উপজেলা বিএনপি নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার জানান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হয়েও তার কোন অফিস নেই। দল থেকে অফিস না করার বিষয়ে নির্দেশনা থাকলেও তা কেউ মানছে না। প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করার কথা শুনে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ফেনী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, ব্যক্তিগত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করা যাবে না। তবে দলের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করলে সেটা ভিন্ন কথা।
এদিকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের ব্যানারে আলমগীর সিদ্দিকীর দলীয় পদ ব্যবহার করা হলেও আয়োজনে, আলমগীর সিদ্দিকী লিখা ছিলো।
ফেনী জেলা ও ছাগলনাইয়া উপজেলা বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতা জানান, প্রবাস থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসা আলমগীর সিদ্দিকী দলের দুঃসময়ে দেশে ছিলেন না। তার বিরুদ্ধে কোন হামলা-মামলার ঘটনা নেই। তার কোন অপকর্মের দায় বিএনপি নিবে না।
এ বিষয়ে জানতে আলমগীর সিদ্দিকীকে মুঠোফোন কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেন নি।