তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন জাতির শ্রেষ্ঠ সূর্যসন্তানদের আত্মত্যাগকে, যার বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিতা মা-বোন ও স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মনিবেদিত সবাইকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং শহিদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী বার্তায় উল্লেখ করেছেন, মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জীবনে সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনা নতুন করে উজ্জীবিত করে। স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে দেশের সকল নাগরিককে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, প্রিয় মাতৃভূমির অগ্রগতি ও উন্নয়নের ধারাকে আরও বেগবান করতে জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সহনশীলতা এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করতে হবে।
তারেক রহমান সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার জন্য, যাতে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা যায়। তিনি স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেছেন।