আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরিতে অসামান্য অবদান এবং মহাজাগতিক উৎস থেকে আসা উচ্চশক্তির নিউট্রিনো আবিষ্কারের জন্য তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
দক্ষিণ মেরুর বরফ ব্যবহার করে নিউট্রিনো কণা শনাক্ত করা সম্ভব—এই ধারণা প্রথম দেন ফ্রান্সিস হেলজেন। তার এই ধারণার ভিত্তিতেই ‘আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি’ নির্মাণে বড় অগ্রগতি হয়।
প্রায় এক ঘনক কিলোমিটার আয়তনের বরফের এই বিশাল গবেষণাগারটি আলোক-সংবেদী সেন্সরে সজ্জিত। আইসকিউবের মাধ্যমে গবেষকেরা মহাবিশ্বের দূরবর্তী ও অত্যন্ত শক্তিশালী বিভিন্ন প্রক্রিয়া থেকে ছুটে আসা নিউট্রিনো কণা শনাক্ত করছেন।
গত বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ. ডেভোরেট ও জন এম. মার্টিনিস। বৈদ্যুতিক বর্তনীতে স্থূল কোয়ান্টাম যান্ত্রিক টানেলিং এবং শক্তির কোয়ান্টাইজেশন আবিষ্কারের জন্য তারা এ পুরস্কার পান।
১৯০১ সাল থেকে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত ১১৯ বার এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। মাত্র ২৫ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছিলেন লরেন্স ব্র্যাগ।
অন্যদিকে, সবচেয়ে বেশি বয়সে এ পুরস্কার জেতার রেকর্ড ৯৬ বছর বয়সী আর্থার আসকিনের। ২০১৮ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।