বুলগেরিয়ার সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম বিএনআর জানিয়েছে, ডুবে যাওয়া জাহাজটির নাবিকদের এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। অন্য জাহাজটিতে আগুন লাগার পর নাবিকরা সেটি ছেড়ে দেন। পরে একটি বুলগেরীয় ফেরি তাদের উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া কয়েকজন নাবিক আহত হয়েছেন।
বুলগেরিয়ার নৌপরিবহনবিষয়ক সংবাদমাধ্যম মেরিটাইম ডটবিজির তথ্য অনুযায়ী, ডুবে যাওয়া জাহাজটির নাম আলফা ওয়াতান এবং অন্য জাহাজটির নাম এবল। তবে হামলায় ব্যবহৃত ড্রোনগুলো কোথা থেকে এসেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জাহাজটির গতিপথ পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ভেসেলফাইন্ডারের তথ্য অনুযায়ী, আলফা ওয়াতান টোগোর পতাকাবাহী একটি জাহাজ। এটি রোমানিয়ার সুলিনা বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ২টার কিছু পর বুলগেরিয়ার উপকূল থেকে প্রায় ৭০ নটিক্যাল মাইল দূরে জাহাজটির সর্বশেষ অবস্থান শনাক্ত হয়।
ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছে বুলগেরিয়া সরকার। মঙ্গলবার বৈঠকের শুরুতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী রুমেন রাদেভ পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।
বুলগেরিয়ার অর্থনৈতিক অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার ঘটনা এটিই প্রথম বলে ধারণা করা হচ্ছে। বুলগেরিয়া ন্যাটোর সদস্য দেশ।
একদিন আগেও হামলা
এর মাত্র এক দিন আগে কৃষ্ণসাগরে তুরস্কের মালিকানাধীন একটি শস্যবাহী জাহাজে ড্রোন হামলা হয়েছিল। হামলার পর জাহাজটিতে আগুন ধরে যায় এবং পরে সেটি ডুবে যায়। ওই ঘটনায় দুজন নিহত ও ১১ জন আহত হন।
কৃষ্ণসাগরে সাম্প্রতিক সময়ে বাণিজ্যিক জাহাজে একের পর এক হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক নৌপথটির নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সূত্র: ইউরোনিউজ