বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) তিনি জানান, ইসলামাবাদের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমে এই আলোচনা চলছে।
উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করা দার বলেন, এ বিষয়ে জল্পনা-কল্পনা অপ্রয়োজনীয়। তিনি এক্সে দেওয়া এক পোস্টে উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ১৫ দফা প্রস্তাব ইরানের কাছে পাঠিয়েছে, যা বর্তমানে তেহরান বিবেচনা করছে। এই উদ্যোগে তুরস্ক ও মিসরসহ কয়েকটি দেশ সমর্থন দিচ্ছে।
এটাই প্রথমবারের মতো পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করল যে তারা এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। এর আগে বুধবার (২৫ মার্চ) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র—উভয় দেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক যোগাযোগের কারণে পাকিস্তানকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার নিয়মিতভাবে ইরান ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।
এছাড়া, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় যুক্ত আছেন এবং সম্প্রতি তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানা গেছে।
তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সরাসরি কোনো আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “বর্তমানে আমাদের নীতি প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়া। এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।” তবে তিনি স্বীকার করেন, বিভিন্ন বন্ধু রাষ্ট্রের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান চলছে।
সূত্র: আল আরাবিয়া