আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, নিহত ও আহতদের অধিকাংশই আফগানিস্তানের সাবেক সরকারি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। তাদের এই অনুপ্রবেশে পাকিস্তানি মিলিশিয়াদের সমর্থন ছিল বলেও দাবি করেছে কাবুল।
তবে আফগান সরকারের এসব দাবি বা হতাহতের সংখ্যা স্বাধীন কোনো সূত্রে যাচাই করতে পারেনি রয়টার্স। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী ও তথ্য মন্ত্রণালয়ও তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, গত শনিবার হামলার উদ্দেশ্যে নুরিস্তানের কামদেশ সীমান্ত দিয়ে সশস্ত্র দলটি আফগানিস্তানে প্রবেশ করে। আফগান বাহিনী তাৎক্ষণিক অভিযান চালালে হতাহতদের নিয়ে তারা সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানি মিলিশিয়া ফাঁড়ির দিকে পালিয়ে যায়।
কাবুলের দাবি, পাকিস্তানি গোয়েন্দারা সাবেক আফগান নিরাপত্তাকর্মীদের সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাকিস্তানে নিয়ে যায়। পরে তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে নুরিস্তানে হামলার জন্য পাঠানো হয়।
এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তানের ভেতরে বিমান হামলা চালিয়ে ২৮ জন চরমপন্থিকে হত্যার দাবি করেছিল পাকিস্তান। তবে আফগান কর্মকর্তারা ওই হামলায় বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার অভিযোগ তোলেন। জাতিসংঘের আফগানিস্তান মিশন অন্তত তিনজন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছিল।
পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তান তাদের ভূখণ্ডে পাকিস্তানি তালেবান বা অন্যান্য সশস্ত্র যোদ্ধাদের আশ্রয় দিচ্ছে। কাবুল বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। এবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরাসরি আফগানিস্তানে সশস্ত্র যোদ্ধা অনুপ্রবেশে সহায়তার অভিযোগ তুলল আফগান সরকার।