শুক্রবার বেলা ১১টায় সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদে ৬৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্ল্যান্ট এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “তেলে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। কিন্তু যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মানুষ বেশি তেল কিনে মজুত করায় দ্রুত পাম্পে সংকট তৈরি হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, আগে যেখানে একটি পেট্রলপাম্পে দিনে এক লরি তেল লাগত, এখন অতিরিক্ত চাহিদার কারণে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা শেষ হয়ে যাচ্ছে।
ব্ল্যাক মার্কেটিংয়ের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে তেল বিক্রির ঘটনা ধরা পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশের সব জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারদের (এসপি) মনিটরিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
জনগণের উদ্দেশে মন্ত্রী আহ্বান জানান, “চাহিদার বেশি তেল নেবেন না, ব্ল্যাক মার্কেটিংয়ের সুযোগ দেবেন না। কোথাও অনিয়ম দেখলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানান।”
এ সময় তিনি নবায়নযোগ্য জ্বালানির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়াতে সরকার কাজ করছে। সিরাজগঞ্জে আরও ৩৫০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, ফলে রমজান মাসে বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় কোনো সমস্যা হয়নি।
পরিদর্শনকালে তিনি সোলার প্ল্যান্ট এলাকায় একটি গাছ রোপণ করেন। এ সময় স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি সয়দাবাদে সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন এবং কামারখন্দ উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।